কখনো কি চিন্তা করেছেন, ৩৩ পেলেই কেনো পাশ? কেনো সেটা ৩০ না বা ৪০ না?
♦️ ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম ম্যাট্রিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৮৫৮ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে, ব্রিটিশদের অধীনে।
তখন পরীক্ষায় পাশ মার্ক কতো হবে এই নিয়ে ব্রিটিশরা চিন্তায় পড়ে যায়। ইংল্যান্ডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তখন পাশ মার্ক ছিলো ৬৫। ভারতবর্ষে কতো হবে এই নিয়ে অনেক মিটিং হয়।
📍 ব্রিটিশরা চিন্তা করতো ভারতীয়দের মেধা, বুদ্ধিমত্তা ব্রিটিশদের অর্ধেক। এজন্য তারা ভারতীয়দের জন্য পাশ মার্ক নির্ধারণ করে ৩২.৫; যা ব্রিটিশদের অর্ধেক।
১৮৬১ সালে ৩২.৫ কে একটি রাউন্ড ফিগারে নেয়া হয়। সেই থেকে গত ১৬৩ বছর ধরে ভারতবর্ষে পরীক্ষায় পাশ মার্ক হিসেবে ৩৩ মার্ক ধরা হয়।
এই অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্রিটিশদের প্রভাব কতো বেশি, আজও কীভাবে ব্রিটিশদের কলোনিয়াল শিক্ষাব্যবস্থার অনুসরণ করা হচ্ছে সেটা আমরা বুঝতেই পারছি না।
📍 'পড়ালেখা করে যে, গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে' —এই নীতি প্রবর্তন করে ব্রিটিশরা। পড়ালেখা করে চাকরি করতে হবে এই মনোভাব এদেশের মানুষের ছিলো না।
ব্রিটিশরা প্রথমে শুরু করে শব্দ মুখস্থকরণ। যে ২০০ টি ইংরেজি শব্দ মুখস্থ করতো, তাকে একটি সার্টিফিকেট দেয়া হতো। এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে সে বিভিন্ন সরকারি চাকরি করতে পারতো।
এভাবে পড়ালেখা করো, চাকরি পাও —এই ধারা এই অঞ্চলে প্রবর্তিত হয়।
অথচ এই অঞ্চলের মানুষ একসময় শিল্পপতি ছিলো। হ্যাঁ, শিল্পপতি। সেই শিল্পগুলো ব্রিটিশরা ধ্বংস করে সবাইকে 'চাকরি' করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছে। আর চাকরি করার জন্য তাদের দেখানো কারিকুলাম প্রবর্তন করেছে।
এই শিক্ষাব্যবস্থাকে যারা যতো বেশি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেছে, তাদের উপার্জনের বয়স হতে, ক্যারিয়ার গঠন করতে ততো বেশি সময় লেগেছে। বিয়ে করা, পরিবার গঠনকে তারা কম প্রায়োরিটি দিয়েছে।
এই যুগে একজন ছেলে ২৫-২৮ বছর হবার পরও যদি চাকরি না পায়, তার ক্যারিয়ার বলতে কিছু নেই। পড়ালেখা শেষ করবে, অতঃপর চাকরি করবে, এটাই ক্যারিয়ার। এই ধারাক্রম অনুসরণ করছে দেশের ৯০% তরুণ।
অথচ আপনি ইংল্যান্ড-আমেরিকা, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দেখবেন তারা উচ্চশিক্ষা, পড়ালেখা করে চাকরিকে এতোটা গুরুত্ব দিচ্ছে না যতোটা বাংলাদেশের মানুষজন দিচ্ছে।
🌱 সেসব দেশে ১৮ বছরের পর সবাইকে উপার্জন করতে হয়। তারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়।
আমাদের দেশে সবাই অপেক্ষা পড়ালেখা শেষ করবে!
যার কারণে অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা ক্যারিয়ার শুরু করতে অন্তত ১০ বছর পিছিয়ে যাই!
.
ডাক্তার শামসুল আরেফিন শক্তি 'নিড' আয়োজিত 'মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা' এবং 'শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ভাবনা' কোর্সে ১০ ঘণ্টা আলোচনা করেছেন এসব বিষয় নিয়ে।
✅ আমাদের ক্যারিয়ার ভাবনায় পশ্চিমা প্রভাবের কারণে কীভাবে তাদের চেয়ে পিছিয়ে যাচ্ছি
✅ একজন যুবক পাশ্চাত্যের শেখানো ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুসরণ করে কীভাবে তার দুনিয়াও হারাচ্ছে এবং আখিরাতও হারাচ্ছে
✅ বর্তমান সময়ের তরুণরা কীভাবে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে পারে
✅ ব্যবসা মুসলিমের আদর্শ ক্যারিয়ার। মুসলিমরা কীভাবে ব্যবসায় যুক্ত হতে পারে এই নিয়ে টিপস শেয়ার করা হয়েছে
🔴 গত ২ বছর ধরে ৭,০০০ মানুষের ক্যারিয়ার ভাবনা বদলে দিয়েছে এই কোর্স!
🟢 নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী যে কেউ কোর্সটি করে উপকৃত হবেন।
মাত্র ১০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি-তে আপনি পাবেন:
👉 ১০ ঘণ্টার রেকর্ডেড প্রেজেন্টেশন
👉 ১০০ পৃষ্ঠার পিডিএফ
👉 ক্যারিয়ার গাইডলাইন নিয়ে কয়েকটি ফ্রি পিডিএফ (নিয়মিত)।
📍 রেজিস্ট্রেশন করতে নিম্নোক্ত নাম্বারে ১০০ টাকা Send money করে 'নিড' পেইজের ইনবক্সে স্ক্রিনশট দিন।
বিকাশ- 01780310953
রকেটে পাঠাতে- 01780310953(4)
নগদ নাম্বার- 01818817955
0 মন্তব্যসমূহ